গুণ্ডা-পাণ্ডা বনাম গুন্ডা-পান্ডা
ণ-ত্ব
বিধানে ‘অতৎসম’ শব্দের
যুক্তাক্ষরের বানানের
ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির বানান কমিটির
সদস্যগণ একমত
হতে পারেননি।
একটি মতে
বলা হয়েছে
যে, এসব
শব্দের যুক্তাক্ষরে
ণ্ট, ণ্ঠ, ণ্ড,
ণ্ঢ হবে।
যথা : ঘণ্টা,
লণ্ঠন, গুণ্ডা।
অন্যমতে বলা
হয়েছে যে,
এসব শব্দের
যুক্তাক্ষরে ন্ট,
ন্ঠ, ন্ড
হবে।
যথা:
ঘণ্টা, প্যান্ট,
প্রেসিডেন্ট, লন্ঠন,
গুন্ডা, পান্ডা,
ব্যান্ড, লন্ডভন্ড।
এখানে ঘণ্টা,
লণ্ডভণ্ড প্রভৃতি
তৎসম শব্দ।
এগুলো কীভাবে
অ-তৎসম
শব্দের বানানে
অন্তর্ভুক্ত হলো!
এসব শব্দ
তৎসম বলে ণত্ব
বিধানের নিয়মানুসারে
মূর্ধন্য-ণ হবে।
যেমন : ঘণ্টা,
লণ্ঠন, গুণ্ডা।
উল্লেখ্য, গুণ্ডা
শব্দ{√গু-+অ(ঘঞ+বা.
গুণ্ডা) সংস্কৃত
গুণ্ড থেকে
আগত ।
পান্ডা
শব্দের অর্থ তীর্থস্থানের
পূজারি। শব্দটি
এসেছে সংস্কৃত
পণ্ডিত থেকে।
তাই এখানে
মূর্ধন্য-ণ
হবে। কিন্তু
পান্ডা (panda)
শব্দ এসেছে
নেপালি পান্ডা
শব্দ থেকে।
এর অর্থ
: চীনের বনাঞ্চলে-জাত
কচিবংশদণ্ড-ভোজী সংবেদনশীল
ভালুকজাতীয় বিরল
প্রজাতির প্রাণী।
এটি সংস্কৃত পণ্ডিত
হতে আগত
পাণ্ডা নয়
বরং নেপাল
হতে আগত
panda।
তাই এই
panda বানান
বাংলায় লিখতে
হলে দন্ত্য-ন
হবে। যেমন
: পান্ডা। কারণ,
অতৎসম শব্দে
ণত্ব বিধি
প্রযোজ্য নয়।
Comments
Post a Comment